ভোরের শরীয়তপুর
EN
EN
মোঃ আব্দুল্লাহ
প্রকাশঃ 8-জুলাই-2025 ইং
অনলাইন সংস্করণ

গ্রাহকের ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা পোস্টমাস্টার, অফিসে তালা

গ্রাহকের ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা নিয়ে লাপাত্তা পোস্টমাস্টার, অফিসে তালা

ডেক্স রিপোর্ট- ভোরের শরীয়তপুর

রাজশাহীর তানোর সদরে অবস্থিত সরকারি পোস্ট অফিসে গ্রাহকের ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা লোপাট করে গা-ঢাকা দিয়েছেন পোস্টমাস্টার। এ ঘটনায় এবার পোস্ট অফিস ঘেরাও করে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন গ্রাহকরা।


মঙ্গলবার (৮ জুলাই) দুপুরে তানোর সদরের কুঠিপাড়ার পোস্ট অফিসের সামনে বিক্ষোভ করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে অফিসের সংশ্লিষ্টরা এক সপ্তাহের ভেতরে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে তালা খুলে দেন বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। 


ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ পোস্ট অফিস ব্যাংকে তানোর পোস্ট অফিসের মাধ্যমে এফডিএ মেয়াদি আমানত হিসেবে বিপুল পরিমাণ গ্রাহক সঞ্চয় আমানত জমা রাখেন। এর মধ্যে ৫৩ গ্রাহকের ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান তৎকালীন পোস্টমাস্টার মকছেদ আলী।


টাকা গায়েবের ঘটনার বিষয়ে সত্যতা পাওয়ায় মকছেদ আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করে দায় সারেন সংশ্লিষ্টরা। তবে ওই সময় ভুক্তভোগী গ্রাহকরা থানায় মামলাও করেন। পরে দুদক মামলার তদন্ত করে।


কিন্তু গ্রাহকের এত টাকা লোপাট করা হলেও আজও উদ্ধার হয়নি বলে জানান নুরুল ইসলাম, তাবারুক হোসেন, রাশিদুল হক, নিরমল ও সুমনসহ বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী।


ভুক্তভোগী গ্রাহক রেজিয়া খাতুন বলেন, তাদের এত টাকা আত্মসাৎ করা হলেও কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে নিরুপায় হয়ে গ্রাহকরা পোস্ট অফিস ঘেরাও করে গেটে তালা ঝুলিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে আলটিমেটাম দেন।


ভুক্তভোগীদের একজন তানোর উপজেলার কামারগাঁ বারঘরিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদীন। তিনি বলেন, আমি ২০২১ সালে বাংলাদেশ পোস্ট অফিস সঞ্চয় ব্যাংকে তানোর পোস্ট অফিসে মেয়াদি আমানত হিসেবে এফডিএ করি ছয় লাখ টাকা। পরে ২০২২ সালে আবারও চার লাখ টাকা এফডিএ করি। প্রথমবারের ছয় লাখ টাকার সরকারি খাতাসহ পাশ বইতে আছে; কিন্তু পরের চার লাখ টাকা আমার পাশ বইতে হাতে লিখে তুলে দিয়েছে। কিন্তু সরকারি রেজিস্ট্রি খাতায় লেখা নেই। এই চার লাখ টাকার কোনো হদিস নেই।


এভাবে অরূপ কুমার নামে এক গ্রাহকের পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার, পুষ্পা রানীর পাঁচ লাখ, সাবিয়া খাতুনের চার লাখ, কৃষ্ণা রানীর পাঁচ লাখ, রাশেদুলের তিন লাখ, পার্থ দাসের এক লাখ, আঙ্গুরা খাতুনের পাঁচ লাখ, রেজিয়া খাতুনের পাঁচ লাখ টাকাসহ ৫৩ জন গ্রাহকের ১ কোটি ৮৪ লাখ টাকার কোনো হদিস নেই। আত্মসাৎ করেছেন মকছেদ আলী; কিন্তু এত টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ডাক বিভাগের পদক্ষেপ নেই।


তবে টাকা উদ্ধারে কাজ করছে ডাক বিভাগ বলে দাবি করেছেন বর্তমান পোস্টমাস্টার আব্দুল মালেক। 


এ বিষয়ে অবগত নন বলে জানান তানোর থানার ওসি আফজাল হোসেন।


এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য মকছেদ আলীর মোবাইলে ফোন দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শরীয়তপুরের রুদ্রকর মঠ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে

1

সাবেক এমপি জাফর ২১ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে

2

মসজিদুল হারাম ও নববীতে প্রত্যেক নামাজের জন্য থাকবে একজন অতির

3

হবু পুত্রবধূর ভাইরাল নাচের ভিডিও দেখে বিয়ে ভেঙ্গে দিলেন পাত্

4

পদ্মা ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মাঝিরঘাটের ৩০ পরিবারকে শুকনো খাদ্য স

5

ফরিদপুরে বিএনপির ১৬ নেতাকর্মীর জামিন

6

লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের সভাপতি হুমায়ুন, সম্পাদক লিংকন

7

রাঙ্গুনিয়ায় বন্যহাতির আক্রমণে নিহত ১

8

পালেরচর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সভা৷

9

সদ্য বহিষ্কৃত টঙ্গী স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাথী গ্রেফতার

10

কাফনের কাপড় রেখে গ্রামপুলিশকে হত্যার হুমকি

11

যেসব লক্ষণে বুঝবেন শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়েছে

12

হত্যা মামলায় আটক শরীয়তপুরের সাবেক মেয়র পারভেজ

13

শরীয়তপুরে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মিস্ত্রির মৃত্যু

14

জামায়াতের সঙ্গে জোটের সম্ভাবনা নেই, জোট কী হয়, তা সময়ই বলে দ

15

নড়িয়ায় ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কা

16

ইরানের যে কাণ্ডে ভয় পেয়ে গিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র: হরমুজ প্রণালি

17

আবরারের কবর জিয়ারত করলেন নাহিদ-আখতার-তাসনিম জারা-সামান্থারা

18

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস বন্ধ রাখায় কমিশনার জাকির হোসেন সাময়িক

19

নওগাঁয় এক কলেজে দুই অধ্যক্ষ, চেয়ারে বসা নিয়ে টানাহেঁচড়া

20